গান ০১৯১ তুমি পুষ্পেতে মধু এনেছো: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
First draft |
→গানের কথা: বাংলা |
||
| ৪৬ নং লাইন: | ৪৬ নং লাইন: | ||
</poem> | </poem> | ||
| | | | ||
<poem> | <poem> | ||
তুমি ফুলে মধু এনেছো, | |||
তুমি সঙ্গীতে সুর দিয়েছো। | |||
তুমি আলোর সাগরকে উত্তাল করে' | |||
সারা বিশ্বে দোলা দিয়েছো। | |||
জ্যোৎস্নায় ভরা নীরব রাতে | |||
তুমি চেতনার গান গেয়েছো। | |||
অন্ধকারের গভীর গহ্বরে | |||
তুমি জাগরণ এনে দিয়েছো। | |||
তুমি সবখানে আছো, সবকালে আছো; | |||
সব সময়ে ছিলে এবং থাকবে। | |||
তুমি সকল মনের গভীরে বসে' | |||
অসীমের গান গাইবে। | |||
তুমি সকল চাওয়া এবং পাওয়ার | |||
ঊর্ধ্বে সব কিছু এনেছো। | |||
</poem> | </poem> | ||
১৫:৪৮, ২ আগস্ট ২০২৫ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ
"তুমি পুষ্পেতে মধু এনেছো" প্রভাত রঞ্জন সরকার রচিত প্রভাত সঙ্গীত-এর ০১৯১ সংখ্যক গান। প্রভাত রঞ্জন সরকার গানটি ১১ জানুয়ারী ১৯৮৩ তারিখে ভারতের রাঁচির মধুমঞ্জুষা ভবনে অবস্থানকালে প্রদান করেন।
গানের কথা
| বাংলা লিপি | রোমান লিপি[১] | গদ্যরূপ[২] |
|---|---|---|
তুমি পুষ্পেতে মধু এনেছো |
Tumi puśpete madhu enecho |
তুমি ফুলে মধু এনেছো, |
তথ্যসূত্র
- ↑ প্রভাত রঞ্জন সরকার প্রণীত রোমান সংস্কৃত বর্ণমালা অনুসরণ করা হয়েছে।
- ↑ গদ্যরূপ করেছেন টিটো।
গানের রেকর্ডিং
- আচার্য্য প্রিয়শিবানন্দ অবধূত দ্বারা পরিবেশিত গান ০১৯১ তুমি পুষ্পেতে মধু এনেছো এইখানে শুণুন
| পূর্বসূরী গান ০১৯০ চম্পক বনে হারায়ে ফেলেছি |
প্রভাত সঙ্গীত ১৯৮৩ সঙ্গে: গান ০১৯১ তুমি পুষ্পেতে মধু এনেছো
|
উত্তরসূরী গান ০১৯২ মানস মন্দিরে এসো প্রভু কৃপা করে |