গান ০১৭৯ ধরা দিলে তুমি প্রভু: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
First draft |
→গানের কথা: বাংলা |
||
| ৪৪ নং লাইন: | ৪৪ নং লাইন: | ||
| | | | ||
<poem> | <poem> | ||
হে প্রভু তুমি | |||
ঝঞ্ঝা-ঝড়ের মধ্যে ধরা দিলে | |||
আমার মনের শ্বেতকমলে | |||
চিরকাল প্রতিটি যুগে বিরাজ করো। | |||
কত সন্ধ্যা, কত রাঙা প্রভাত, | |||
কত জ্যোৎস্না রাত পেরিয়ে গেল! | |||
হে জ্যোতির্ময়, এবার সময় হয়েছে | |||
কালাতীতের ধ্যানে মগ্ন হওয়ার। | |||
তুমি আমার প্রাণ আর মনে | |||
সংগোপনে এসেছিলে, | |||
তোমার সেই আসা | |||
বিশ্বজন জানতেও পারল না। | |||
</poem> | </poem> | ||
|} | |} | ||
১০:৩৮, ৩০ জুলাই ২০২৫ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ
"ধরা দিলে তুমি প্রভু" প্রভাত রঞ্জন সরকার রচিত প্রভাত সঙ্গীত-এর ০১৭৯ সংখ্যক গান। গানটি প্রভাত রঞ্জন সরকার ২৯ ডিসেম্বর ১৯৮২ তারিখে পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলার মধুকর্ণিকা ভবনে অবস্থান কালে প্রদান করেছিলেন।
গানের কথা
| বাংলা লিপি | রোমান লিপি[১] | গদ্যরূপ[২] |
|---|---|---|
|
ধরা দিলে তুমি প্রভু |
Dhará dile tumi prabhu |
হে প্রভু তুমি |
তথ্যসূত্র
- ↑ প্রভাত রঞ্জন সরকার প্রণীত রোমান সংস্কৃত বর্ণমালা অনুসরণ করা হয়েছে।
- ↑ গদ্যরূপ করেছেন টিটো।
গানের রেকর্ডিং
- আচার্য্য প্রিয়শিবানন্দ অবধূত দ্বারা পরিবেশিত গান ০১৭৯ ধরা দিলে তুমি প্রভু এইখানে শুণুন
| পূর্বসূরী গান ০১৭৮ তোমারই দেওয়া মনে |
প্রভাত সঙ্গীত ১৯৮২ সঙ্গে: গান ০১৭৯ ধরা দিলে তুমি প্রভু
|
উত্তরসূরী গান ০১৮০ সুপ্ত হৃদয় জাগিয়া উঠেছে |