গান ০১৪১ সে যে আকাশে সাগরে বনে কান্তারে: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
→গানের কথা: বাংলা |
→গানের কথা: বাংলা |
||
| ৭৬ নং লাইন: | ৭৬ নং লাইন: | ||
শরতের রাতে শেফালী ফুলেতে | শরতের রাতে শেফালী ফুলেতে | ||
তিনি গন্ধে গন্ধে ভরে' থাকেন। | তিনি গন্ধে গন্ধে ভরে' থাকেন। | ||
বিশ্বের রূপ যার রূপে বিদ্যমান, | |||
তাঁকে কি কখনো ভোলা যায়? | |||
না, ভোলা যায় না, | |||
কখনোই ভোলা যায় না। | |||
বিশ্বের আলো যাঁর আলোতে আলোকিত, | |||
তাঁর থেকে দূরে থাকা কি সম্ভব? | |||
না, দূরে থাকা যায় না, | |||
কখনোই থাকা যায় না। | |||
তাঁর থেকে দূরে থাকা যায় না, | |||
তাঁকে কখনো দূরে রাখা যায় না, | |||
কখনোই দূরে রাখা যায় না। | |||
</poem> | </poem> | ||
|} | |} | ||
১৩:৪৪, ১৩ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ
"সে যে আকাশে সাগরে বনে কান্তারে" প্রভাত রঞ্জন সরকার রচিত প্রভাত সঙ্গীত-এর ০১৪১ সংখ্যক গান। গানটি প্রভাত রঞ্জন সরকার ২৫ নভেম্বর ১৯৮২ তারিখে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার মধুমালঞ্চ ভবনে অবস্থান কালে প্রদান করেছিলেন।
গানের কথা
| বাংলা লিপি | রোমান লিপি[১] | গদ্যরূপ[২] |
|---|---|---|
|
সে যে আকাশে সাগরে বনে কান্তারে |
Se je ákáshe ságare vane kántáre |
তিনি আকাশ, সমুদ্র, বন এবং নির্জন প্রান্তরে |
তথ্যসূত্র
- ↑ প্রভাত রঞ্জন সরকার প্রণীত রোমান সংস্কৃত বর্ণমালা অনুসরণ করা হয়েছে।
- ↑ গদ্যরূপ করেছেন টিটো।
গানের রেকর্ডিং
- আচার্য্য প্রিয়শিবানন্দ অবধূত দ্বারা পরিবেশিত গান ০১৪১ সে যে আকাশে সাগরে বনে কান্তারে এইখানে শুণুন
| পূর্বসূরী গান ০১৪০ আছো কবরীবেণীতে কালো ডোর হয়ে |
প্রভাত সঙ্গীত ১৯৮২ সঙ্গে: গান ০১৪১ সে যে আকাশে সাগরে বনে কান্তারে
|
উত্তরসূরী গান ০১৪২ আকাশে সাগরে |