বিষয়বস্তুতে চলুন

গান ০০৪৫ বকুল গন্ধে মধুরানন্দে: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

Sarkarverse থেকে
first draft
 
Text replacement - "! style="width:30%;"|গদ্যরূপ" to "! গদ্যরূপ"
 
(২ জন ব্যবহারকারী দ্বারা সম্পাদিত ৭টি মধ্যবর্তী সংশোধন দেখানো হচ্ছে না)
১ নং লাইন: ১ নং লাইন:
'''"বকুল গন্ধে মধুরানন্দে"''' [[প্রভাত রঞ্জন সরকার]] রচিত [[প্রভাত সঙ্গীত]]-এর ০০৪৫ সংখ্যক গান। গানটি প্রভাত রঞ্জন সরকার ২২ অক্টোবর ১৯৮২ তারিখে পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলার মধুমালঞ্চ ভবনে অবস্থান কালে প্রদান করেছিলেন।
'''"বকুল গন্ধে মধুরানন্দে"''' [[প্রভাত রঞ্জন সরকার]] রচিত [[প্রভাত সঙ্গীত]]-এর ০০৪৫ সংখ্যক গান। গানটি প্রভাত রঞ্জন সরকার ২২ অক্টোবর ১৯৮২ তারিখে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার মধুমালঞ্চ ভবনে অবস্থান কালে প্রদান করেছিলেন।


== গানের কথা ==
== গানের কথা ==
৫ নং লাইন: ৫ নং লাইন:
|-
|-
! বাংলা লিপি
! বাংলা লিপি
! রোমান লিপি
! রোমান লিপি<ref>প্রভাত রঞ্জন সরকার প্রণীত [[রোমান সংস্কৃত বর্ণমালা]] অনুসরণ করা হয়েছে।</ref>
! style="width:30%;"|গদ্যরূপ<ref>গদ্যরূপ করেছেন টিটো।</ref>
! গদ্যরূপ<ref>গদ্যরূপ করেছেন টিটো।</ref>
|-
|-
|
|
৪২ নং লাইন: ৪২ নং লাইন:
|
|
<poem>
<poem>
সে যে বকুল ফুলের ছন্দে মধুর আনন্দে
মধুপ ছন্দে এসেছিলো।


সে বলেছিলো শেষের পরেও শুরু হতে পারে
শেষ বলে কিছু নেই।
জীবনের ধারা অশেষ অপার।
মরুমাঝে চলার শেষ হয় না।
সে তোমার গতি, তোমার দ্রুতি
তোমার স্রোতে চলেছিল।
সে যে সব বেদনার সকল ব্যাথার
লৌহকপাট ভেঙ্গেছিলো।
</poem>
</poem>
|}
|}
৫৮ নং লাইন: ৬৯ নং লাইন:
  | with  = গান ০০৪৫ বকুল গন্ধে মধুরানন্দে
  | with  = গান ০০৪৫ বকুল গন্ধে মধুরানন্দে
  | before = [[গান ০০৪৪ আর কোনো কথা আমি মানি না]]
  | before = [[গান ০০৪৪ আর কোনো কথা আমি মানি না]]
  | after  = [[গান ]]
  | after  = [[গান ০০৪৬ এরা কান্নায় ভাঙ্গা রুধিরেতে রাঙা]]
}}
}}
{{S-end}}
{{S-end}}

১৩:১১, ৭ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ

"বকুল গন্ধে মধুরানন্দে" প্রভাত রঞ্জন সরকার রচিত প্রভাত সঙ্গীত-এর ০০৪৫ সংখ্যক গান। গানটি প্রভাত রঞ্জন সরকার ২২ অক্টোবর ১৯৮২ তারিখে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার মধুমালঞ্চ ভবনে অবস্থান কালে প্রদান করেছিলেন।

গানের কথা

বাংলা লিপি রোমান লিপি[] গদ্যরূপ[]

বকুল গন্ধে মধুরানন্দে
মধুপ ছন্দে এসেছিলো (সে যে)

শেষের পরেও শুরু হয়ে থাকে
শেষ নাই তাহা বলেছিলো

জীবনের ধারা অশেষ অপার
মরুমাঝে হারা হয় না চলার
তোমার গতিতে তোমার দ্রুতিতে
তোমার স্রোতে সে চলেছিলো

সব বেদনার সকল বাধার
লৌহকপাট ভেঙ্গেছিলো (সে যে)

Bakula gandhe madhuránande
Madhupa chande esechilo (se je)

Sheśer pareo shuru haye tháke
Sheś nái táhá balechilo

Jiivaner dhárá asheś apár
Marumájhe hárá hay ná calár
Tomár gatite tomár drutite
Tomár srote se calechilo

Sab vedanár sakal bádhár
Laohakapát́ bheuṋgechilo (se je)

সে যে বকুল ফুলের ছন্দে মধুর আনন্দে
মধুপ ছন্দে এসেছিলো।

সে বলেছিলো শেষের পরেও শুরু হতে পারে
শেষ বলে কিছু নেই।

জীবনের ধারা অশেষ অপার।
মরুমাঝে চলার শেষ হয় না।
সে তোমার গতি, তোমার দ্রুতি
তোমার স্রোতে চলেছিল।
সে যে সব বেদনার সকল ব্যাথার
লৌহকপাট ভেঙ্গেছিলো।

তথ্যসূত্র

  1. প্রভাত রঞ্জন সরকার প্রণীত রোমান সংস্কৃত বর্ণমালা অনুসরণ করা হয়েছে।
  2. গদ্যরূপ করেছেন টিটো।

গানের রেকর্ডিং

  • আচার্য্য প্রিয়শিবানন্দ অবধূত দ্বারা পরিবেশিত গান ০০৪৫ বকুল গন্ধে মধুরানন্দে এইখানে শুণুন
পূর্বসূরী
গান ০০৪৪ আর কোনো কথা আমি মানি না
প্রভাত সঙ্গীত
১৯৮২
সঙ্গে: গান ০০৪৫ বকুল গন্ধে মধুরানন্দে


উত্তরসূরী
গান ০০৪৬ এরা কান্নায় ভাঙ্গা রুধিরেতে রাঙা