বিষয়বস্তুতে চলুন

গান ০০৩৫ আকাশ বাতাস সুধানির্যাস: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

Sarkarverse থেকে
First draft
 
Text replacement - "! রোমান লিপি" to "! রোমান লিপি<ref>প্রভাত রঞ্জন সরকার প্রণীত রোমান সংস্কৃত বর্ণমালা অনুসরণ করা হয়েছে।</ref>"
 
(২ জন ব্যবহারকারী দ্বারা সম্পাদিত ৭টি মধ্যবর্তী সংশোধন দেখানো হচ্ছে না)
১ নং লাইন: ১ নং লাইন:
'''"আকাশ বাতাস সুধানির্যাস"''' [[প্রভাত রঞ্জন সরকার]] রচিত [[প্রভাত সঙ্গীত]]-এর ০০৩৫ সংখ্যক গান। গানটি প্রভাত রঞ্জন সরকার ৮ অক্টোবর ৯১৮২ তারিখে পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলার মধুকর্ণিকা ভবনে অবস্থান কালে প্রদান করেছিলেন।
'''"আকাশ বাতাস সুধানির্যাস"''' [[প্রভাত রঞ্জন সরকার]] রচিত [[প্রভাত সঙ্গীত]]-এর ০০৩৫ সংখ্যক গান। গানটি প্রভাত রঞ্জন সরকার ৮ অক্টোবর ১৯৮২ তারিখে পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলার মধুকর্ণিকা ভবনে অবস্থান কালে প্রদান করেছিলেন।


== গানের কথা ==
== গানের কথা ==
৫ নং লাইন: ৫ নং লাইন:
|-
|-
! বাংলা লিপি
! বাংলা লিপি
! রোমান লিপি
! রোমান লিপি<ref>প্রভাত রঞ্জন সরকার প্রণীত [[রোমান সংস্কৃত বর্ণমালা]] অনুসরণ করা হয়েছে।</ref>
! style="width:30%;"|গদ্যরূপ<ref>গদ্যরূপ করেছেন টিটো।</ref>
! গদ্যরূপ<ref>গদ্যরূপ করেছেন টিটো।</ref>
|-
|-
|
|
১৬ নং লাইন: ১৬ নং লাইন:


এ কি নাচের গানের তান
এ কি নাচের গানের তান
এ কি হিযায় আলোর বান
এ কি হিয়ায় আলোর বান
হারিয়ে দিশে শুণছি বসে'
হারিয়ে দিশে শুণছি বসে'
সব পেয়েছির ডাক
সব পেয়েছির ডাক
৫৪ নং লাইন: ৫৪ নং লাইন:
|
|
<poem>
<poem>
আকাশ, বাতাস, সুধানির্যাস
কালো মেঘের ডাক
হৃদয়ের মাঝে পাঞ্চজন্য<ref>মহাভারত এবং গীতায় বর্ণিত কৃষ্ণের শাঁখ।</ref>
মধুর ধ্বনিতে বাজে।


এ কি নাচের গানের তান
এ কি হৃদয়ে আলোর বন্যা
দিশা হারিয়ে বসে 
সব পেয়েছির ডাক শুণছি।
কে সে আমায় নিরুদ্দেশের পানে
এমন মধুর গানে ডাক দিয়ে গেল?
সে যে কথার ফাঁকে ফাঁকে
আমায় ডাক দিচ্ছে।
অন্ধকারের পরে আলো
হঠাৎ আমার প্রাণ জুড়ালো
আমার হিয়ার সবখানি
অনাহতের<ref>অনাহত বলতে ওঁ বা প্রণব বোঝানো হয়েছে।</ref> স্বরে ভরে গেল।
</poem>
</poem>
|}
|}
৭০ নং লাইন: ৮৮ নং লাইন:
  | with  = গান ০০৩৫ আকাশ বাতাস সুধানির্যাস
  | with  = গান ০০৩৫ আকাশ বাতাস সুধানির্যাস
  | before = [[গান ০০৩৪ তোমার নয়নতলে সব কিছু নেচে চলে]]
  | before = [[গান ০০৩৪ তোমার নয়নতলে সব কিছু নেচে চলে]]
  | after  = [[গান ]]
  | after  = [[গান ০০৩৬ সবার বন্ধু সবার আপন]]
}}
}}
{{S-end}}
{{S-end}}

১৩:০৪, ৭ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ

"আকাশ বাতাস সুধানির্যাস" প্রভাত রঞ্জন সরকার রচিত প্রভাত সঙ্গীত-এর ০০৩৫ সংখ্যক গান। গানটি প্রভাত রঞ্জন সরকার ৮ অক্টোবর ১৯৮২ তারিখে পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলার মধুকর্ণিকা ভবনে অবস্থান কালে প্রদান করেছিলেন।

গানের কথা

বাংলা লিপি রোমান লিপি[] গদ্যরূপ[]

আকাশ বাতাস সুধানির্যাস
কৃষ্ণ মেঘের ডাক
হৃদয় মাঝে মধুর বাজে
পাঞ্চজন্য শাঁখ

এ কি নাচের গানের তান
এ কি হিয়ায় আলোর বান
হারিয়ে দিশে শুণছি বসে'
সব পেয়েছির ডাক

নিরুদ্দেশের পানে এমন মধুর গানে
কে সে আমায় দিয়ে' গেল ডাক
কথার ফাঁকে ফাঁকে সে যে
দিচ্ছে আমায় ডাক

আঁধারের পরে আলো
হঠাৎ আমার প্রাণ জুড়ালো
সকল হিয়ায় ভরে' গেল
অনাহতের বাক্‌

Ákásh vátás sudhánirjás
Krśńa megher d́ák
Hrday májhe madhur báje
Páiṋcajanya sháṋkh

E ki nácer gáner tán
E ki hiyáy álor ván
Háriye dishe shuńchi base
Sab peyechir d́ák

Niruddeshera páne eman madhur gáne
Ke se ámáy diye gela d́ák
Kathár pháṋke pháṋke se je
Dicche ámáy d́ák

Aṋdhárer pare álo
Hat́hát ámár práń juŕálo
Sakal hiyáy bhare gela
Anáhater vák

আকাশ, বাতাস, সুধানির্যাস
কালো মেঘের ডাক
হৃদয়ের মাঝে পাঞ্চজন্য[]
মধুর ধ্বনিতে বাজে।

এ কি নাচের গানের তান
এ কি হৃদয়ে আলোর বন্যা
দিশা হারিয়ে বসে
সব পেয়েছির ডাক শুণছি।

কে সে আমায় নিরুদ্দেশের পানে
এমন মধুর গানে ডাক দিয়ে গেল?
সে যে কথার ফাঁকে ফাঁকে
আমায় ডাক দিচ্ছে।

অন্ধকারের পরে আলো
হঠাৎ আমার প্রাণ জুড়ালো
আমার হিয়ার সবখানি
অনাহতের[] স্বরে ভরে গেল।

তথ্যসূত্র

  1. প্রভাত রঞ্জন সরকার প্রণীত রোমান সংস্কৃত বর্ণমালা অনুসরণ করা হয়েছে।
  2. গদ্যরূপ করেছেন টিটো।
  3. মহাভারত এবং গীতায় বর্ণিত কৃষ্ণের শাঁখ।
  4. অনাহত বলতে ওঁ বা প্রণব বোঝানো হয়েছে।

গানের রেকর্ডিং

  • আচার্য্য প্রিয়শিবানন্দ অবধূত দ্বারা পরিবেশিত গান ০০৩৫ আকাশ বাতাস সুধানির্যাস এইখানে শুণুন
পূর্বসূরী
গান ০০৩৪ তোমার নয়নতলে সব কিছু নেচে চলে
প্রভাত সঙ্গীত
১৯৮২
সঙ্গে: গান ০০৩৫ আকাশ বাতাস সুধানির্যাস


উত্তরসূরী
গান ০০৩৬ সবার বন্ধু সবার আপন