টেমপ্লেট:উৎসব প্রবন্ধ/আগামী
- "আমার কানু যায়" প্রভাত রঞ্জন সরকার রচিত প্রভাত সঙ্গীত-এর ৩১০৩ সংখ্যক গান। প্রভাত রঞ্জন সরকার গানটি ১ সেপ্টেম্বর ১৯৮৫ তারিখে ভারতের কলকাতার মধুমালঞ্চ ভবনে অবস্থানকালে প্রদান করেন। এই গানের মূল ভাবটি হলো শ্রীকৃষ্ণের মথুরা যাত্রার সময় ব্রজবাসীদের (বিশেষত রাধা বা কোনো ভক্তের) গভীর বিরহ ও প্রেমময় আকুলতা। গানটির বিষয়বস্তু সনাতন কৃষ্ণলীলা এবং কৃষ্ণভক্তির একটি চিরন্তন অংশ হলেও, প্রভাত রঞ্জন সরকারের প্রভাত সঙ্গীতে এটি ভক্তের সাথে পরমপুরুষের বিচ্ছেদ ও মিলনের এক চিরন্তন আধ্যাত্মিক আকুতির প্রতীক। এটি একই সাথে প্রেম ও ভক্তিরসের এক অপূর্ব সমন্বয়।
. . . এই গানটি সম্পর্কে আরো পড়ুন - "তুকে ভাল্বো হামি নয়ন ভরে'" প্রভাত রঞ্জন সরকার রচিত প্রভাত সঙ্গীত-এর ৩৫৬২ সংখ্যক গান। প্রভাত রঞ্জন সরকার গানটি ৩০ মে ১৯৮৬ তারিখে ভারতের কলকাতা]র মধুকোরক ভবনে অবস্থানকালে প্রদান করেন। এই গানটি মূলত মধুর ভক্তি ও প্রেম নিবেদনের ভাবকে প্রকাশ করে, যেখানে ভক্ত তাঁর প্রিয়তম পরমপুরুষকে (কৃষ্ণকে) অন্তর দিয়ে কাছে পেতে চাইছেন। গানটির ভাষা সম্ভবত রাঢ় অঞ্চলের (পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডের সীমান্তবর্তী অঞ্চল) আঞ্চলিক বাংলায় রচিত, যা এর ভাবাবেগকে আরও সরল ও আন্তরিক করে তুলেছে।
. . . এই গানটি সম্পর্কে আরো পড়ুন - "ব্রজের গোপাল চলে' যায়" প্রভাত রঞ্জন সরকার রচিত প্রভাত সঙ্গীত-এর ৩৫৬৫ সংখ্যক গান। প্রভাত রঞ্জন সরকার গানটি ৩১ মে ১৯৮৬ তারিখে ভারতের কলকাতার মধুমালঞ্চ ভবনে অবস্থানকালে প্রদান করেন। এই গানটির মূল ভাব হলো বিরহ ও আধ্যাত্মিক উপলব্ধির এক গভীর মিশ্রণ। এটি একদিকে যেমন ব্রজের গোপাল (শ্রীকৃষ্ণ)-এর আপাত প্রস্থানকে বর্ণনা করে, তেমনই অন্যদিকে ভক্তের অন্তরে সেই প্রিয়তমের চিরন্তন উপস্থিতিকে তুলে ধরে, যা তাঁকে স্থূল দৃষ্টির বাইরেও সন্ধান করতে শেখায়।
. . . এই গানটি সম্পর্কে আরো পড়ুন