গান ০০১৮ কে যেন আসিয়া কয়ে গেছে কাণে: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
→গানের কথা: ++ |
→গানের কথা: ++ |
||
| ৫০ নং লাইন: | ৫০ নং লাইন: | ||
ব্যথা-হাহাকার আর থাকবে না। | ব্যথা-হাহাকার আর থাকবে না। | ||
আর শুধু অশ্রু (আঁখিধার) বইবে না। | |||
সব ব্যাথা বেদনার ঊর্ধ্ব লোকে | |||
প্রাণের পরাগ ভাসবে। | |||
</poem> | </poem> | ||
|} | |} | ||
০৭:০৮, ১৩ মার্চ ২০২৫ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ
কে যেন আসিয়া কয়ে গেছে কাণে প্রভাত রঞ্জন সরকার রচিত প্রভাত সঙ্গীত-এর ০০১৮ সংখ্যক গান। গানটি প্রভাত রঞ্জন সরকার ২৪ সেপ্টেম্বর ১৯৮২ তারিখে দেওঘরে মধুমণিকা ভবনে অবস্থান কালে প্রদান করেছিলেন।
গানের কথা
| বাংলা লিপি | রোমান লিপি | গদ্যরূপ[১] |
|---|---|---|
|
কে যেন আসিয়া কয়ে' গেছে কাণে |
Ke jena ásiyá kaye geche káńe |
কে যেন এসে কানে বলে গেছে |
তথ্যসূত্র
- ↑ গদ্যরূপ করেছেন টিটো।
গানের রেকর্ডিং
- আচার্য্য প্রিয়শিবানন্দ অবধূত দ্বারা পরিবেশিত গান ০০১৮ কে যেন আসিয়া কয়ে গেছে কাণে এইখানে শুণুন
| পূর্বসূরী গান ০০১৭ কেটে গেছে মেঘ গেছে উদ্বেগ |
প্রভাত সঙ্গীত ১৯৮২ সঙ্গে: গান ০০১৮ কে যেন আসিয়া কয়ে গেছে কাণে
|
উত্তরসূরী গান ০০১৯ নবীন প্রাতে এই অরুণ আলোতে |