গান ০০০৩ আঁধার শেষে আলোর দেশে: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
→গানের কথা: <poem> |
+ |
||
| ১ নং লাইন: | ১ নং লাইন: | ||
'''''আঁধার শেষে আলোর দেশে''''' [[প্রভাত রঞ্জন সরকার]] রচিত [[প্রভাত সঙ্গীত]]-এর | '''''আঁধার শেষে আলোর দেশে''''' [[প্রভাত রঞ্জন সরকার]] রচিত [[প্রভাত সঙ্গীত]]-এর ০০০৩ সংখ্যক গান। এই গানটি "নব্যমানবতাবাদের গীত" নামে পরিচিত। এই গানটি প্রভাত রঞ্জন সরকার ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৮২ তারিখে দেওঘরে মধুমণিকা ভবনে অবস্থান কালে প্রদান করেছিলেন। | ||
== গানের কথা == | == গানের কথা == | ||
০৪:৩৯, ৮ মার্চ ২০২৫ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ
আঁধার শেষে আলোর দেশে প্রভাত রঞ্জন সরকার রচিত প্রভাত সঙ্গীত-এর ০০০৩ সংখ্যক গান। এই গানটি "নব্যমানবতাবাদের গীত" নামে পরিচিত। এই গানটি প্রভাত রঞ্জন সরকার ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৮২ তারিখে দেওঘরে মধুমণিকা ভবনে অবস্থান কালে প্রদান করেছিলেন।
গানের কথা
| বাংলা লিপি | রোমান লিপি | গদ্যরূপ[১] |
|---|---|---|
আঁধার শেষে আলোর দেশে |
Áṋdhára sheśe álora deshe |
অন্ধকার বা আঁধারময় পথের শেষে অরুণোজ্জ্বল আলোকোজ্জ্বল নতুন ভোর রয়েছে। সবাইকে ডেকে সেই আশাময় নতুন ভোরের কথা শোনাবো। |
তথ্যসূত্র
- ↑ গদ্যরূপ করেছেন টিটো।
গানের রেকর্ডিং
- আচার্য্য প্রিয়শিবানন্দ অবধূত দ্বারা পরিবেশিত গান ০০০৩ আঁধার শেষে আলোর দেশে এইখানে শুণুন
| পূর্বসূরী গান ০০০২ এ গান আমার আলোর ঝর্ণাধারা |
প্রভাত সঙ্গীত ১৯৮২ সঙ্গে: গান ০০০৩ আঁধার শেষে আলোর দেশে
|
উত্তরসূরী গান ০০০৪ সকল মনের বীণা এক সুরে বাজে আজ |