গান ০০৫১ মধুকার বনে স্পন্দন এনে: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য
word |
→গানের কথা: যোগ |
||
| ৬১ নং লাইন: | ৬১ নং লাইন: | ||
| | | | ||
<poem> | <poem> | ||
মধুকার বনে নতুন স্পন্দন জাগিয়ে | |||
আমার আলোর দেবতার এসেছেন। | |||
আলোর দেবতা এসেছে, এসেছেন। | |||
জীবনের শত ধারা, | |||
শত রূপ ঝলমল করে | |||
সেই আগমনে উদ্ভাসিত হয়েছে। | |||
এখন বসে বসে কান্নার সময় নেই, | |||
পথে থেমে থাকার দিনও শেষ হয়েছে। | |||
সকল বেদনা, সকল হাহাকার | |||
তিনি আজ ভুলিয়ে দিয়েছেন। | |||
শক্তির অপচয় নয়, কর্মের দোলায় রক্ত | |||
</poem> | </poem> | ||
১৭:২৬, ৩১ মার্চ ২০২৫ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ
"মধুকার বনে স্পন্দন এনে" প্রভাত রঞ্জন সরকার রচিত প্রভাত সঙ্গীত-এর ০০৫১ সংখ্যক গান। গানটি প্রভাত রঞ্জন সরকার ২৫ অক্টোবর ১৯৮২ তারিখে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার মধুমালঞ্চ ভবনে অবস্থান কালে প্রদান করেছিলেন।
গানের কথা
| বাংলা লিপি | রোমান লিপি | গদ্যরূপ[১] |
|---|---|---|
(মোর) মধুকার বনে স্পন্দন এনে' |
(Mor) Madhukár vane spandana ene |
মধুকার বনে নতুন স্পন্দন জাগিয়ে |
তথ্যসূত্র
- ↑ গদ্যরূপ করেছেন টিটো।
গানের রেকর্ডিং
- আচার্য্য প্রিয়শিবানন্দ অবধূত দ্বারা পরিবেশিত গান ০০৫১ মধুকার বনে স্পন্দন এনে এইখানে শুণুন
| পূর্বসূরী গান ০০৫০ রক্তিম কিশলয় |
প্রভাত সঙ্গীত ১৯৮২ সঙ্গে: গান ০০৫১ মধুকার বনে স্পন্দন এনে
|
উত্তরসূরী গান ০০৫২ তুমি উজ্জ্বল ধ্রুবতারা |