টেমপ্লেট:উৎসব প্রবন্ধ: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

++
 
++
১ নং লাইন: ১ নং লাইন:
'''"দীপাবলী সাজায়েছি প্রভু"''' [[প্রভাত রঞ্জন সরকার]] রচিত [[প্রভাত সঙ্গীত]]-এর ০০৬৩ সংখ্যক গান। এই গানটি প্রভাত রঞ্জন সরকার ২৯ অক্টোবর ১৯৮২ তারিখে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার মধুমালঞ্চ ভবনে অবস্থান কালে প্রদান করেছিলেন। এই গানটি দীপাবলী অনুষ্ঠানের সময় পরিবেশিত হয়। এই গানের মূল ভাবটি হলো– প্রভুকে অর্থাৎ পরম পুরুষকে বরণ করে নেওয়ার জন্য ভক্তের হৃদয়ের আকুলতা এবং সেই উপলক্ষে তার সকল আয়োজন। এই খানে দীপাবলী নিছক একটি উৎসব নয়, বরং আলোকসজ্জার মাধ্যমে হৃদয়কে প্রস্তুত করার একটি প্রতীকী প্রকাশ।<br/>
* '''"আমার কানু যায়"''' প্রভাত রঞ্জন সরকার রচিত প্রভাত সঙ্গীত-এর ৩১০৩ সংখ্যক গান। প্রভাত রঞ্জন সরকার গানটি ১ সেপ্টেম্বর ১৯৮৫ তারিখে ভারতের কলকাতার মধুমালঞ্চ ভবনে অবস্থানকালে প্রদান করেন। এই গানের মূল ভাবটি হলো শ্রীকৃষ্ণের মথুরা যাত্রার সময় ব্রজবাসীদের (বিশেষত রাধা বা কোনো ভক্তের) গভীর বিরহ ও প্রেমময় আকুলতা। গানটির বিষয়বস্তু সনাতন কৃষ্ণলীলা এবং কৃষ্ণভক্তির একটি চিরন্তন অংশ হলেও, প্রভাত রঞ্জন সরকারের প্রভাত সঙ্গীতে এটি ভক্তের সাথে পরমপুরুষের বিচ্ছেদ ও মিলনের এক চিরন্তন আধ্যাত্মিক আকুতির প্রতীক। এটি একই সাথে প্রেম ও ভক্তিরসের এক অপূর্ব সমন্বয়।<br />. . . '''[[গান ৩১০৩ আমার কানু যায়|এই গানটি সম্পর্কে আরো পড়ুন]]'''
. . . '''[[গান ০০৬৩ দীপাবলী সাজায়েছি প্রভু|আরো পড়ুন]]
* '''"আসা আর যাওয়া চাওয়া আর পাওয়া"''' প্রভাত রঞ্জন সরকার রচিত প্রভাত সঙ্গীত-এর ৩৫৫৮ সংখ্যক গান। প্রভাত রঞ্জন সরকার গানটি ২৮ মে ১৯৮৬ তারিখে ভারতের কলকাতার মধুকোরক ভবনে অবস্থানকালে প্রদান করেন। এই গানটির মূল ভাব হলো জীবন ও জগতের মৌলিক দ্বৈততা এবং এর পেছনের পরম রহস্য। গানটি জানায় যে এই সৃষ্টিতে আগমন (আসা) ও প্রস্থান (যাওয়া), এবং আকাঙ্ক্ষা (চাওয়া) ও প্রাপ্তি (পাওয়া) এই চক্রেই আমাদের জীবন আবর্তিত হয়।<br />. . . '''[[গান ৩৫৫৮ আসা আর যাওয়া চাওয়া আর পাওয়া, এই নিয়ে শুধু বেঁচে থাকা|এই গানটি সম্পর্কে আরো পড়ুন]]'''
[[File:PRSarkar GentlemanPhoto 3.jpg|right|180px]]
* '''"তুকে ভাল্বো হামি নয়ন ভরে'"''' প্রভাত রঞ্জন সরকার রচিত প্রভাত সঙ্গীত-এর ৩৫৬২ সংখ্যক গান। প্রভাত রঞ্জন সরকার গানটি ৩০ মে ১৯৮৬ তারিখে ভারতের কলকাতার মধুকোরক ভবনে অবস্থানকালে প্রদান করেন। এই গানটি মূলত মধুর ভক্তি ও প্রেম নিবেদনের ভাবকে প্রকাশ করে, যেখানে ভক্ত তাঁর প্রিয়তম পরমপুরুষকে (কৃষ্ণকে) অন্তর দিয়ে কাছে পেতে চাইছেন। গানটির ভাষা সম্ভবত রাঢ় অঞ্চলের (পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডের সীমান্তবর্তী অঞ্চল) আঞ্চলিক বাংলায় রচিত, যা এর ভাবাবেগকে আরও সরল ও আন্তরিক করে তুলেছে।<br />. . . '''[[গান ৩৫৬২ তুকে ভাল্বো হামি নয়ন ভরে|এই গানটি সম্পর্কে আরো পড়ুন]]'''
* '''"ব্রজের গোপাল চলে' যায়"''' প্রভাত রঞ্জন সরকার রচিত প্রভাত সঙ্গীত-এর ৩৫৬৫ সংখ্যক গান। প্রভাত রঞ্জন সরকার গানটি ৩১ মে ১৯৮৬ তারিখে ভারতের কলকাতার মধুমালঞ্চ ভবনে অবস্থানকালে প্রদান করেন। এই গানটির মূল ভাব হলো বিরহ ও আধ্যাত্মিক উপলব্ধির এক গভীর মিশ্রণ। এটি একদিকে যেমন ব্রজের গোপাল (শ্রীকৃষ্ণ)-এর আপাত প্রস্থানকে বর্ণনা করে, তেমনই অন্যদিকে ভক্তের অন্তরে সেই প্রিয়তমের চিরন্তন উপস্থিতিকে তুলে ধরে, যা তাঁকে স্থূল দৃষ্টির বাইরেও সন্ধান করতে শেখায়।<br />. . . '''[[গান ৩৫৬৫ ব্রজের গোপাল চলে যায়|এই গানটি সম্পর্কে আরো পড়ুন]]'''